বুধ গ্রহ আসলে কি? কেমন তার আবহাওয়া?

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

কলকাতায় প্রথম ধর্মঘট কবে এবং কেন হয়েছিল?

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

বিভিন্ন প্রাণীর রেচন অঙ্গের নাম ও তার ছবি

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ভারতের ক্ষমতা হস্তান্তর আইন

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

সালোকসংশ্লেষ সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

হিন্দু তথা সনাতন ধর্মের সমস্ত ধর্ম গ্রন্থসমূহ

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

রাশিয়া কি সর্বদাই ভারতের বন্ধু?

রাশিয়া কি সর্বদাই ভারতকে সমর্থন করে?

"আন্তর্জাতিক
রাজনীতিতে কেউ কারোর বন্ধু নয়" এই কথাটি সবাই শুনে থাকি
, এখানে তেমনটা। ১৯৭১ সালের
যুদ্ধে রাশিয়া যেমন ভারতকে সাহায্য করেছিল ঠিক তেমনই ১৯৯৮ সালে ভারত যখন পরমাণু
পরীক্ষা করেছিল তখন এই রাশিয়াই ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিল। আর একটা মজার কথা হল
ভারতীয় হিন্দী মিডিয়া জগত অত্যন্ত একটি মিথ্যা প্রচার করেছে দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে
, সেটা হল  ১৯৯৮
সালে ইউক্রেন নাকি ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিল। কিন্তু সত্যিটা হল ইউক্রেন এই সময়
সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সুলক্ষা দপ্তের সদস্যই ছিল না। প্রমাণ হিসাবে নীচে একটি
screen short দিলাম।



  
সত্যি বলতে ১৯৯৮ সালে বিশ্বের কোন শক্তিধর দেশই চাইতো না
, ভারত একটি পরমাণু শক্তিধর দেশ
হয়ে উঠুক
, তার
মধ্যে রাশিয়াও ছিল। সেই সময় যে ১৫টি দেশ ভারতের বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল তারা হল- চীন
, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, বাহরাইন, ব্রাজিল, কোস্টারিকা, গ্যাবন, গাম্বিয়া, জাপান, কেনিয়া, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া, সুইডেন।



     এই
সময় আরো একটি খবর মিডিয়াতে পাওয়া যাচ্ছে যে
, ইউক্রেন
ভারতের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব করেছিল। হ্যাঁ
, এটা  ঠিক কিন্তু সেটা লিখিত ভাবে দেওয়া হয়েছিল। আর
রাশিয়া বাকায়দা একটি ভিডিও জারি করেছিল। তাহলে নিজেদের এখানে ভাবা দরকার। আর
প্রমাণ হিসাবে নীচে একটি ভিডিওটি দিলাম।



তাহলে এখন প্রশ্ন হল-ভারত কেন রাশিয়াকে সমর্থন
করে
UNSC-তে।
অস্ত্র বা হাতিয়ার এবং চিনের জন্য
; না
আসলে কিন্তু তা নয়। তাহলে খোলসা করেই বলা যাক।



১৯৬২ সালের ২২শে জুন ১০১৬ UNSC-তে একটি resolution পাশ হবার চেষ্ঠা হয়েছিল।
যেখানে চারটি নিয়ম বা পদ্ধতি বলা হয়েছিল।



যাকে সহজ ভাবে বলতে গেলে ভারতকে military বা সৈন ক্ষমতা পরিত্যাগ করে
পাকিস্তানের সঙ্গে কথা বলতে হবে
, অথচ
কাশ্মীরের সমস্ত কাগজপত্র ভারতের কাছেই রয়েছে। এটি সেই হল "ঢাল নেই করতাল নেই
নিধিরাম সরর্দার" অর্থাৎ ভারতের কাছে কাশ্মীরের কাজপত্র  থাকা সত্তেও ভারতকে কাশ্মীরের জন্য পাকিস্তানের
সঙ্গে কথা বলতে হবে।



1016 RESOLUTION পাশ
না হবার প্রধান কারণ রাশিয়া ও রোমানিয়া এদের ভারত সমর্থন। কিন্তু এই ভোট
প্রক্রিয়ায় ভারত হেরে গিয়েছিল
,
টি ভোট ভারতের বিপক্ষে ছিল এবং ২ টি ভোট ভারতের পক্ষে ছিল। যেহেতু রাশিয়া
UNSC এর স্থায়ী সদস্য তাই ভিটো
প্রয়োগ করতে পেরেছিল
, যেমনটা
রাশিয়া এবারের নিন্দা প্রস্তাব (ইউক্রেন হামলার জন্য) ভিটো প্রয়োগ করে আটকে দিয়েছে
, তখনও এমনটা হয়েছিল। এরপর
১৯৬২-তে চীন ভারতের আক্সাই চায়না দখল করে কিন্তু ১৯৭১ সালে ভারতের হাতে ক্ষমতা ছিল
POK-দখল
করবার কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী বিদেশ নীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত দুর্বল নেত্রী হিসাবে
বিবেচিত হন। ইন্দিরা গান্ধীর নিজস্ব উপদেষ্টা পার্থসারথি লিখছেন যে
, যদি ভারত পশ্চিম পাকিস্তানের
উপর আক্রমণ করে
POK-দখল
করে নেয় তবে রাশিয়ান রাষ্ট্রপতি শর্তহীন ভাবে ভারতকে সমর্থন করবে
, অথচ তা সম্ভব হয়নি। এই Diplomacy সাহায্যের কারণেই ভারত
রাশিয়াকে সমর্থন করে।



আর সবশেষে একটি কথা রাশিয়া যদি ভারতের এতই
বন্ধু হয় তবে
, রাশিয়া
কেন ভারতের ২০ হাজার ছাত্রকে ইউক্রেন থেকে বের হতে সাহায্য করছে না
???

নিচে প্রমাণ হিসাবে কয়েকটি PDF File-এর লিঙ্ক তুলে ধরলাম-

UNSC Resolution For INDIA

রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

স্বামীজি দেখালেন চোরের কাছ থেকেও নতুন কিছু শেখা যায়

স্বামীজি দেখালেন চোরও একজন মহান সাধু হতে পারে

পাওহারীবাবাকে স্বামীজি খুব শ্রদ্ধা করতেন।
স্বামীজি শুনেছিলেন পাওহারি বাবার কুটিরে একবার এক চোর ঢুকেছিল। তাঁর জিনিসপত্র
চুরি করে পালাবার মুহূর্তে পাওহারীবাবার ঘুম ভেঙে যায়। চোর ভয় পেয়ে জিনিসপত্র
ফেলেই পালাতে থাকে। পাওহারীবাবা সেই জিনিসগুলি নিয়ে চোরের পেছনে পেছনে ছুটতে
থাকেন এবং বহু দূর গিয়ে চোরকে ধরে তার হাতে ওই জিনিস গুলি তুলে দিয়ে ফিরে আসেন।
স্বামী যখন হিমালয় যান
, তখন এক
সৌমদর্শন সন্ন্যাসীকে দেখে আকৃষ্ট হন। কিন্তু স্বামীজি অবাক হয়ে গেলেন যখন তাঁর
মুখের শুনলেন তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি কিনা পাওহারি বাবার কুঠিরে চুরি করতে
গিয়েছিলেন। সাধুটি বললেন "পাওহারীবাবা যখন আমায় নারায়ন জ্ঞানে অকুণ্ঠিত
চিত্তে সর্বস্ব অর্পণ করলেন
, তখন আমি
আমার নিজের ভুল ও হীনতা বুঝতে পারলাম এবং সেই থেকে ঐহিক অর্থ ত্যাগ করে পারমার্থিক
অর্থের সন্ধান ঘুরতে লাগলাম।" এই দৃষ্টান্ত স্বামীজীর মনে গভীর রেখাপাত
করেছিল। এই সাধুর কথা মনে রেখেই পরবর্তীকালে তিনি বলতেন: পাপীদের মধ্যেও সাধুত্বের
বীজ লুকিয়ে থাকে।


কাউবয়-দের সঙ্গে স্বামীজির লড়াই

স্বামীজীর জ্ঞানই কাউবয়রা স্বামীজীর উপরই পরিক্ষা করে দেখল

আমেরিকার পশ্চিম প্রান্তে একটা নগরীতে স্বামীজি
একবার বক্তৃতায় বলেছিলেন: যিনি সর্বোত্তম সত্যে পৌঁছেছেন
, বাইরের কোনো কিছুই তাকে বিচলিত করতে পারে না।
কথাগুলি শুনল কয়েকটি কাউবয়। তারা ঠিক করল স্বামীজীর উপরেই স্বামীজীর এই কথার
পরীক্ষা চালাতে হবে। স্বামীজী তাদের গ্রামে বক্তৃতা করতে গেলে তারা একটি টব উল্টে
তার উপরে দাঁড়িয়ে তাঁকে বক্তিতা করতে বললেন। স্বামীজী একটুও দ্বিধা না করে তাই
করলেন এবং মুহূর্তের মধ্যে বক্তৃতার মধ্যে ডুবে গেলেন। এমন সময় তাঁর কানের দুপাশ
দিয়ে শোঁ শোঁ শব্দে গুলি ছুটতে লাগল। স্বামীজী কিন্তু একটুও বিচলিত না হয়ে
বক্তৃতা চালিয়ে গেলেন। বক্তৃতা শেষ হলে সেই ছেলেগুলি তাকে ঘিরে দাঁড়াল
, করমর্দন করে বলল: হ্যাঁ, তুমি সত্যিই খাঁটি লোক।