বুধ গ্রহ আসলে কি? কেমন তার আবহাওয়া?

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

কলকাতায় প্রথম ধর্মঘট কবে এবং কেন হয়েছিল?

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

বিভিন্ন প্রাণীর রেচন অঙ্গের নাম ও তার ছবি

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ভারতের ক্ষমতা হস্তান্তর আইন

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

সালোকসংশ্লেষ সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

হিন্দু তথা সনাতন ধর্মের সমস্ত ধর্ম গ্রন্থসমূহ

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

জীবন বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জীবন বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৩ জুন, ২০২৩

জীবনবিজ্ঞান-এর "পুষ্টি" অধ্যায় থেকে ৫০টি প্রশ্ন ও উত্তর

 

১) গ্লুকোজ থেকে গ্লাইকোজেন তৈরিকে কি বলে?

উ:-গ্লাইকোজেনেসিস

২) গ্লাইকোজেন থেকে গ্লুকোজ তৈরির ঘটনাকে কি বলে?

উ:- গ্লাইকোজেনোলাইসিস

৩) ভিটামিন A-র অভাবে কোন রোগ হয়?

উ:- রাতকানা

৪) মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয় কোন ভিটামিন?

উ:- ভিটামিন D

৫) তাপে নষ্ট হয় কোন ভিটামিন?

উ:- ভিটামিন C

৬) কোন্‌ ভিটামিনের অভাবে অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা দেখা দেয়?

উ:-ভিটামিন B12

৭) জলে দ্রাব্য ভিটামিন কোনটি?

উ:- ভিটামিন C

৮) স্কার্ভি রোগ হয় কোন ভিটামিনের অভাবে?

উ:- ভিটামিন C

৯) কড মাছের তেল থেকে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?

উ:- ভিটামিন A

১০) প্রাণীদেহে আয়োডিনের অভাবে কি হয়?

উ:- গলগণ্ড

১১) কোন খনিজের অভাবে রক্তাল্পতা দেখা যায়?

উ:- লৌহ

১২) কোন্‌ খনিজের অভাবে প্রাণীদেহে রক্ততঞ্চন ব্যাহত হয়?

উ:- ক্যালসিয়াম (Ca)

১৩) হস্টোরিয়া কি?

উ:- চোষক মূল

১৪) স্বর্ণলতা কি ধরণের উদ্ভিদ?

উ:- পরজীবী

১৫) ফিতাকৃমি কি ধরনের প্রাণী?

উ:- অন্তঃপরজীবী

১৬) ক্ষণপদের সাহায্যে খাদ্যগ্রহণ করে এমন একটি প্রাণীর নাম লেখো

উ:- অ্যামিবা

১৭) কোন্ মৌল-টির অভাবে উদ্ভিদে ক্লোরোসিস ঘটে?

উ:- ম্যাগনেশিয়াম

১৮) একটি সরল প্রোটিনের উদাহরণ দাও

উ:- অ্যালবুমিন

১৯) একটি মিথোজীবীর উদাহরণ দাও

উ:- লাইকেন

২০) একটি মৃতজীবীর উদাহরণ দাও

উ:- ইস্ট

২১) ট্রিপসিন কী জাতীয় উৎসেচক?

উ:- প্রোটিওলাইটিক

২২) বহিঃকোশীয় পরিপাক দেখা যায় কোন প্রাণীতে?

উ:- মানুষে

২৩) কোন্ গ্রন্থিটির নিঃসৃত রসে পরিপাক ক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উৎসেচক থাকে না?

উ:- যকৃৎ

২৪) পাচিত খাদ্য শোষণের প্রধান স্থান কোনটি?

উ:- ক্ষুদ্রান্ত্র

২৫) পিত্ত নিঃসৃত হয় কোথা থেকে?

উ:- যকৃৎ থেকে

২৬) শরীরের কোথায় ইউরিয়া তৈরী হয়?

উ:- যকৃতে

২৭) পুষ্টি কি ধরনের বিপাক?

উ:- উপচিতিমূলক

২৮) শ্বসন কি ধরনের বিপাক?

উ:- অপচিতিমূলক

২৯) দেহের কোন অঙ্গে অরনিথিন চক্র সংঘটিত হয়?

উ:- যকৃতে

৩০) একটি ডাইস্যাকারাইডের (দ্বি-শর্করা) উদাহরণ দাও

উ:- ল্যাকটোজ

৩১) দুধে কোন খাদ্য উপাদানের অভাব থাকে?

উ:- Fe এবং ভিটামিন-C

৩২) মানব ত্বকে কোন যৌগ থেকে ভিটামিন D সংশ্লেষিত হয়?

উ:- 7-ডিহাইড্রো-কোলেক্যালসিফেরল

৩৩) মানবদেহের যকৃতে শর্করা কোন রূপে সঞ্চিত থাকে?

উ:- গ্লাইকোজেন 

৩৪) একটি প্রাণীজ শ্বেতসারের নাম কি?

উ:- গ্লাইকোজেন

৩৫) স্বভোজী এবং পরভোজী উভয়প্রকার পুষ্টি সম্পন্নকারী উদ্ভিদের নাম কি?

উ:- কলশপত্রী

৩৬) কোন শর্করা দুধে পাওয়া যায়?

উ:- ল্যাকটোজ

৩৭) মানব পৌষ্টিক নালির কোন অংশে শর্করাজাতীয় খাদ্য পরিপাকের উৎসেচক থাকে না?

উ:- পাকস্থলী

৩৮) মানবদেহের পৌষ্টিক নালিতে খাদ্য পরিপাকের জন্য উৎসেচক ছাড়া আর কিসের প্রয়োজন?

উ:- জল

৩৯) মানুষের পুষ্টির তৃতীয় পর্যায় কোনটি?

উ:- শোষণ

৪০) উদ্ভিদের পুষ্টির কোন উপাদানের প্রয়োজন কম পড়ে?

উ:- জিঙ্ক

৪১) কোন উৎসেচক প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে?

উ:- ট্রিপসিন

৪২) অ্যান্টিস্টেরিলিটি বা বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধী ভিটামিন কোনটি?

উ:- ভিটামিন-E

৪৩) চন্দন কি জাতীয় উদ্ভিদ?

উ:- পরজীবী উদ্ভিদ

৪৪) একটি আংশিক মৃতজীবী উদ্ভিদের নাম কি?

উ:- মনোট্রোপা

৪৫) মটরগাছের মূলের অর্বুদে বসবাস করে কোন ব্যাকটেরিয়া?

উ:- রাইজোবিয়াম

৪৬) শৈবাল ও ছত্রাকের সমন্বয়ে গঠিত উদ্ভিদের নাম কি?

উ:- লাইকেন

৪৭) স্বভোজী পুষ্টির দ্বিতীয় পর্যায়কে কি বলে?

উ:- আত্তীকরণ

৪৮) উদ্ভিদের পুষ্টির প্রথম ধাপ কোনটি?

উ:- সংশ্লেষণ

৪৯) একটি পরাশ্রয়ী প্রকৃতির উদ্ভিদের নাম লেখো

উ:- রাস্না

৫০) কোন ধরনের পুষ্টিতে সহভোক্তা ও ব্যতিহারী লক্ষ করা যায়?

উ:- মিথোজীবীয় পুষ্টি

শুক্রবার, ১৭ মার্চ, ২০২৩

কিভাবে ম্যালেরিয়া রোগ বিস্তার হয়?

 

ম্যালেরিয়া



ম্যালেরিয়া প্রোটোজোয়া পর্বভুক্ত প্লাসমোডিয়াম
নামক পরজীবী আক্রান্ত রোগ। ম্যালেরিয়া শব্দটি 
সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন
Torti ১৭৫৩
সালে। ইতালিয় শব্দ
'Mal' যার
অর্থ দূষিত এবং
'Aria' যার
অর্থ বায়ু। এদের থেকেই
Malaria' (ম্যালেরিয়া)  শব্দটি এসেছে। স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা এই রোগের
জীবাণুর বাহক। ম্যালেরিয়ার পরজীবী লোহিত রক্তকণিকার মধ্যে বংশবৃদ্ধি করে
, ফলে রোগীর শরীরে রক্তসল্পতার
লক্ষণ দেখা যায়।

অবশ্য প্রথম দিকে মানুষ মনে করত দূষিত বায়ু সেবনেই এই রোগ
হয়। প্রাচীন গ্রীসের ফিজিসিয়ান হিপোক্রেটিস
, যাকে
"ঔষধের জনক" বলা হয়
, তিনি
প্রথম এই রোগের লক্ষণসমুহের বর্ণনা দেন এবং বছরের কোন সময় এটা হয় ও কোন জায়গায়
রোগীরা বাস করে সেই তথ্যের সঙ্গে একটা সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন।



ম্যালেরিয়ার প্রথম নথীবদ্ধ চিকিৎসা পদ্ধতির
সময়কাল ১৬০০ সাল
, যখন
পেরুর আদিবাসীরা সিঙ্কোনা গাছের তিক্ত ছাল ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করত। ১৬৪৯ সাল
নাগাদ ইংল্যান্ডে এটাই "জেসুইট পাওডার" হিসেবে পাওয়া যেত।



১৮৮০ সাল নাগাদ চার্লস ল্যাভেরন লোহিত রক্ত
কণিকা থেকে ম্যালেরিয়ার কারণ হিসেবে একটিমাত্র কোষবিশিষ্ট পরজীবী প্রোটোজোয়াকে
চিহ্নিত করেন। ফলে শত বছর ধরে চলা দূষিত বায়ু সেবনের ফলে রোগ সৃষ্টির ভুল ধারণার
অবসান ঘটে। ১৮৯৭ সালে ভারতে কর্মরত ব্রিটিশ ডাক্তার স‍্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন
যে
Anopheles (অ্যানোফিলিস)
মশা এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। এ যুগান্তকারী আবিষ্কারের কারণে তাকে ১৯০২ সালে
চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।



ম্যালেরিয়া সাধারণত ব্লাড ফিল্মস ব্যবহার করে
রক্তের দূরবীক্ষণ পরীক্ষা অথবা অ্যান্টিজেন-ভিত্তিক দ্রুত ডায়গনস্টিক পরীক্ষার
মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। আধুনিক প্রযুক্তিতে প্যারাসাইটের ডিএনএ শনাক্ত করার জন্য
পলিমারেজ শৃঙ্খল বিক্রিয়ার ব্যবহার উন্নত করা হয়েছে
, কিন্তু এর খরচ ও জটিলতার জন্য
ব্যাপকভাবে ম্যালেরিয়া-কবলিত এলাকায় ব্যবহার করা হয় না।



কিভাবে ম্যালেরিয়া রোগ বিস্তার হয়?



অ্যানোফিলিস মশা যখন কোনো ম্যালেরিয়া
রোগাক্রান্ত রোগীর রক্তপান করে তখন ম্যালেরিয়া পরজীবীর গ্যামেটোসাইট দশা(পুং ও
স্ত্রী গ্যামেটোসাইট)  মশার দেহে প্রবেশ
করে। উক্ত দশাগুলি থেকে মশার দেহে স্পোরোজয়েট দশায় রূপান্তরিত হয়ে মশার লালা
গ্রন্থিতে অবস্থান করে। স্পোরোজয়েট দশাযুক্ত মশাটি যখন সুস্থ মানুষের রক্তপান করে
তখন উক্ত দশাগুলি সুস্থ লোকটির রক্তে মিশে যায়
, আক্রান্ত
ব্যক্তির যকৃতে স্পোরোজয়েটগুলি মেরোজয়েটে রূপান্তরিত হয়। মেরোজয়েটগুলি রক্তে মুক্ত
হয়ে লোহিত রক্তকণিকাগুলিকে ধ্বংস করে।



ম্যালেরিয়ার প্রধান লক্ষণগুলি হল:-



১) কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা



২) উচ্চ তাপমাত্রা (105F-106F)



৩) তীব্র মাথার যন্ত্রণা সহ বমি বমি ভাব



৫) কিছুক্ষণ পর ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যাওয়া



ম্যালেরিয়া জ্বরের তিনটি দশা দেখা যায়, যথা-



১) শীত দশা (১০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা) স্থায়ী হয়



২) উত্তাপ দশা (১ ঘন্টা থেকে ৪ ঘন্টা) স্থায়ী
হয়



৩) ঘাম দশা (২ ঘন্টা থেকে ৩ ঘন্টা) স্থায়ী হয়



প্রত্যেক বছর, প্রায়
৫১.৫ কোটি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন এবং প্রায় ১০ থেকে ৩০ লক্ষ মানুষ প্রাণ
হারান যাদের মধ্যে বেশিরভাগই আফ্রিকার সাহারা অঞ্চলের শিশু। ম্যালেরিয়া খুবই
পরিচিত একটি সংক্রামক রোগ এবং এটি একটি বৃহৎ জনস্বাস্থ্য সমস্যা।

বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৩

জীবনবিজ্ঞান-এর বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫০টি প্রশ্ন ও উত্তর

 বিষয়:- জীবনবিজ্ঞান

অধ্যায়:- বংশগতি

বংশগতিতে অবদানকারী বিজ্ঞানী

গ্রেগর জোহান মেন্ডেল ছিলেন একজন ধর্মযাজক। ১৮২২ খ্রিষ্টাব্দে অস্ট্রিয়ায় তাঁর জন্ম হয়। তিনি বংশগতি-সংক্রান্ত দুটি মৌলিক সূত্র (পৃথকভবক সূত্র ও স্বাধীন বন্টনের সূত্র) প্রবর্তন করেন। তাঁর আবিষ্কৃত তথ্যসমূহের ওপর ভিত্তি করে জিনতত্ত্বের সৃষ্টি হওয়ায় মেন্ডেলকে জিনতত্ত্বের জনক বলা হয়। ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে এই মহান বিজ্ঞানীর মৃত্যু হয়।

৫০টি প্রশ্ন ও উত্তর

১) বংশগতির জনক কাকে বলে?

উ:- মেন্ডেল-কে

২) মেন্ডেল-এর আবিষ্কৃত সূত্রটি কি নামে পরিচিত?

উ:- মেন্ডেলবাদ নামে

৩) একটি সংকর জাতের গরুর নাম বল।

উ:- জার্সি-শাহীওয়াল

৪) বিশুদ্ধ বেঁটে গাছের জিনোটাইপ কি?

উ:- tt

৫) বংশগতিতে বিপরীতধর্মী যুগ্ম বৈশিষ্ট্যকে কি বলে?

উ:- অ্যালিল

৬) মেন্ডেল তাঁর পরীক্ষার জন্য মটরগাছে কত জোড়া বৈশিষ্ট্য নির্বাচন করেছিলেন?

উ:- সাত জোড়া

৭) জীবদেহের প্রধান জেনেটিক পদার্থ কি?

উ:- DNA

৮) জিন কথাটি প্রথম কে ব্যবহার করেন?

উ:- জোহানসেন

৯) বংশগতির একক কি?

উ:- জিন

১০) কোন বিজ্ঞানীর নাম জেনেটিক্সের সঙ্গে জড়িত?

উ:- হরগোবিন্দ খোরানা

১১) মটরগাছের ক্ষেত্রে প্রকট বৈশিষ্ট্যটি কি?

উ:- হলুদ বীজপত্র

১২) খাঁটি জীব সবসময়ই কি ধরণের হয়?

উ:- হোমোজাইগাস

১৩) যে নাইট্রোজেনযুক্ত বেসটি DNA-তে থাকে না, সেটি কোনটি?

উ:- ইউরাসিল

১৪) যে নাইট্রোজেনযুক্ত বেসটি RNA-তে থাকে না, সেটি কোনটি?

উ:- থাইমিন

১৫) মেন্ডেলের পৃথকীকরণ সূত্রটি কি পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত?

উ:- একসংকর

১৬) একটি বংশগত রোগের নাম লেখো।

উ:- হিমোফিলিয়া

১৭) মেন্ডেলের একসংকর জননে উৎপন্ন ১:২:১ অনুপাতকে কি অনুপাত বলে?

উ:- জিনোটাইপ-এর

১৮) প্রথম অপত্য বংশে যে-বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পায়, তাকে কি বৈশিষ্ট্য বলে?

উ:- প্রকট

১৯) কোনো জীবের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যাবলির বাহ্যিক প্রকাশকে কি বলে?

উ:- ফিনোটাইপ

২০) কি কারণে মটর ফুলে স্ব-পরাগযোগ ঘটে?

উ:- উভলিঙ্গ

২১) কাকে বংশগতির ধারক ও বাহক বলে?

উ:- DNA

২২) প্রকট ও প্রচ্ছন্ন উভয় বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবকে কি বলে?

উ:- সংকর

২৩) মেন্ডেলের একসংকর জননে ৩:১ অনুপাতকে কি অনুপাত বলে?

উ:- ফিনোটাইপ-এর

২৪) জীবের জিন সম্বন্ধীয় বৈশিষ্ট্য যা বংশানুক্রমে সঞ্চারিত হয়, তাকে কি বলে?

উ:- জিনোটাইপ

২৫) পিতামাতার যে-গুণটি অপত্যে প্রকাশিত হয় তাকে কি গুণ বলে?

উ:- প্রকট

২৬) কোনো জীবের জিনোটাইপ নির্ধারণের জন্য যে-পরীক্ষা করা হয়, তাকে কি বলে?

উ:- টেস্ট ক্রস

২৭) মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্রটি কি সূত্র নামে পরিচিত?

উ:- পৃথকীভবনের

২৮) মেন্ডেলের বংশগতির দ্বিতীয় সূত্রটি কি সূত্র নামে পরিচিত?

উ:- স্বাধীন বন্টন

২৯) পিতামাতার যে-গুণটি অপত্যে অপ্রকাশিত থাকে, তাকে কি গুণ বলে?

উ:- প্রচ্ছন্ন গুণ

৩০) মটরগাছের ফুল কি লিঙ্গ?

উ:- উভলিঙ্গ

৩১) মেন্ডেলের একসংকর জননের পরীক্ষায় কি জনুকে P সংকেত দ্বারা চিহ্নিত করা হয়?

উ:- জনিতৃ

৩২) মেন্ডেল বিশুদ্ধ দীর্ঘাকার ও বিশুদ্ধ খর্বাকার মটরগাছের মধ্যে কি পরাগযোগ ঘটিয়েছিলেন?

উ:- ইতর

৩৩) বংশগতির ধারক ও বাহক কি?

উ:- জিন

৩৪) মেন্ডেলের পরীক্ষায় TT বলতে কি বোঝায়?

উ:- বিশুদ্ধ লম্বা মটরগাছের জিনোটাইপ

৩৫) মেন্ডেলের পরীক্ষায় tt বলতে কি বোঝায়?

উ:- বেঁটে মটরগাছের জিনোটাইপ

৩৬) মেন্ডেলের পরীক্ষায় Tt বলতে কি বোঝায়?

উ:- সংকর লম্বা মটরগাছের জিনোটাইপ

৩৭) দুটি বংশগত রোগের নাম বল।

উ:- বর্ণান্ধতা ও হিমোফিলিয়া

৩৮) বেশি মাংস পাওয়া যায় এমন একটি মুরগির নাম লেখো।

উ:- ব্রয়লার

৩৯) জীবের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যকে কি বলে?

উ:- ফিনোটাইপ

৪০) বংশগতিতে একটি প্রকট গুণের উদাহরণ দাও।

উ:- লম্বা মটরগাছের লম্বা গুণটিই হল প্রকট গুণ।

৪১) জাইগোটে জীবের বৈশিষ্ট্যকে কি বলে?

উ:- জিনোটাইপ

৪২) একসংকর পরনিষেকে ফিনোটাইপের অনুপাত কত?

উ:- ৩:১

৪৩) একসংকর পরনিষেকে জিনোটাইপের অনুপাত কত?

উ:- ১:২:১

৪৪) জীবদেহের প্রধান জেনেটিক পদার্থ কি?

উ:- DNA বা ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড

৪৫) DNA-বিহীন ভাইরাসের জেনেটিক পদার্থ কি থাকে?

উ:- RNA বা রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড

৪৬) DNA এবং RNA-র সুনির্দিষ্ট বিন্যাসকে কি বলে?

উ:- জেনেটিক কোড (Genetic code)

৪৭) জেনেটিক্স কাকে বলে?

উ:- জীববিজ্ঞানের যে-শাখায় জিন ও বংশগতি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে চর্চা হয়, তাকেই জেনেটিক্স বলে।

৪৮) যে তিনজন বিজ্ঞানী মেন্ডেলের আবিষ্কৃত তথ্যের পুনরাবিষ্কার করেন তাদের নাম লেখো।

উ:- হল্যান্ডের দ্য ভ্রিস, জার্মানির কোরেন্স, অস্ট্রিয়ার শেরম্যাক (De Vries, Correns and Tschermak)

৪৯) মানুষের অটোজোম-বাহিত একটি প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য কি?

উ:- শ্বেতী বা অ্যালবিনিজম্‌

৫০) জিনতত্ত্বের জনক কে?

উ:- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল

শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২১

জনন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবদানকারী বিজ্ঞানী

 জনন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবদানকারী বিশিষ্ট বিজ্ঞানী

প্রতিটি জীব জনন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের অস্তিত্বকে অপত্যের মধ্যে বাঁচিয়ে রেখে বংশরক্ষা ও বংশবিস্তার করে। এই বংশবিস্তারের মাধ্যমে জীবনের প্রবাহ অক্ষুন্ন থাকে। যে জীব থেকে অপত্য জীব সৃষ্টি হয় তাকে জনিতৃ জীব এবং জনিতৃ জীব থেকে সৃষ্ট জীবকে অপত্য জীব বলে। জনিতৃ জীব থেকে অপত্য জীব সৃষ্টি হওয়ার পদ্ধতিকে জনন বলে।

জীবনবিজ্ঞান-এর জনন অধ্যায় থেকে ৫০টি প্রশ্ন ও উত্তর

আরো সহজ ভাবে বলতে গেলে-

যে জৈবিক পদ্ধতিতে জীব নিজের দেহের অংশ দিয়ে অনুরূপ জীব সৃষ্টি করে এবং সংখ্যা বৃদ্ধির দ্বারা নিজেস্ব বংশধারাকে অক্ষুণ্ণ রাখে, তাকে জনন বা রিপ্রোডাকশন বলে।

চার্লস বনেট ছিলেন একজন ফরাসি দার্শনিক ও প্রকৃতিবিজ্ঞানী। ১৭২০ খ্রিষ্টাব্দে  অস্ট্রিয়ার জেনেভা শহরে তাঁর জন্ম হয়। তিনি প্রাণীর জনন সংক্রান্ত বহু পরীক্ষানিরীক্ষা করেন। তাঁর গবেষণাগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল অপুংজনি-সংক্রান্ত গবেষণা। এবিষয়ে তিনিই প্রথম আলোকপাত করেন। ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি পরলোকগমন করেন।

শ্বসন সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য

শ্বসন বলতে কী বোঝায় এবং এর সঙ্গে যুক্ত বৈজ্ঞানিকগণ

বিজ্ঞানী স্যার হান্‌স অ্যাডল্‌ফ ক্রেবস ছিলেন জার্মান চিকিৎসক ও প্রাণরসায়নবিদ। ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে জার্মানিতে তাঁর জন্ম হয়। তিনি শ্বসনের সাইট্রিক অ্যাসিড চক্র (TCA Cycle) আবিষ্কার করেন। ক্রেবস্‌-এর নাম অনুসারে এই চ্ক্রকে 'ক্রেবস চক্র' বলা হয়। ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে এই মহান বিজ্ঞানীর মৃত্যু হয়।

জীবন-বিজ্ঞানের শ্বসন অধ্যায় থেকে ১০০ প্রশ্ন এবং উত্তর

শ্বসন পদ্ধতিতে উক্ত শক্তি সমন্বিত খাদ্য জীব-দেহকোশে অক্সিজেনের সাহায্যে জারিত হয়ে স্থৈতিক শক্তি গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই গতিশক্তি জীবের বিভিন্ন প্রকার জীবন ক্রিয়া চালু রাখতে সাহায্য করে। সুতরাং জীবদেহে বিভিন্ন প্রকার শারীরবৃত্তীয় কার্য সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করাই শ্বসনের একমাত্র উদ্দেশ্য। সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন খাদ্য এবং অক্সিজেন শ্বসনে ব্যবহৃত হয়, আর শ্বসনে উৎপন্ন কার্বন-ডাই-অক্সাইড সালোকসংশ্লেষে ব্যবহৃত হয়। অতএব সালোকসংশ্লেষ এবং শ্বসন জৈবিক প্রক্রিয়া দুটি পরস্পর পরস্পরের উপর নির্ভরশীল এবং বিপরীতমুখী।

১৭৮০ খ্রিস্টাব্দে ফরাসি বিজ্ঞানী ল্যাভয়সিয়ার (Lavoisier) প্রথম কথাটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বলেন, শ্বসন একপ্রকার দহন প্রক্রিয়া যার দ্বারা জীবকোশ-মধ্যস্থ শ্বসন বস্তু অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয়ে শক্তি নির্গত করে। শ্বসন কথাটি ল্যাটিন শব্দ "রেসপিরেয়ার" (Respirare) অর্থাৎ "শ্বাসকার্য" থেকে উৎপত্তি হয়েছে। জৈবিক প্রয়োজনে জীবদেহে প্রতিনিয়ত নানাপ্রকার জৈবনিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন শক্তি। জীব খাদ্য গ্রহণ করে ঐ শক্তি অর্জন করে।খাদ্যস্থিত স্থৈতিক শক্তি যা সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৌরশক্তি থেকে সঞ্চিত হয়, তা শ্বসন নামক জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গতিশক্তি বা তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। আসলে জীবদেহে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্য সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপন্ন করাই শ্বাসনকার্যের তথা শ্বসনের একমাত্র উদ্দেশ্য।

সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১

সালোকসংশ্লেষ সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

সালোকসংশ্লেষ সম্পর্কে বিভিন্ন বিজ্ঞানীদের অবদান

সবুজ উদ্ভিদরা সৌরশক্তিকে সালোকসংশ্লেষের
মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তিরূপে প্রথমে গ্লুকোজ এবং পরে অন্যান্য কার্বোহাইড্রেট
, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন
প্রভৃতি জৈব যৌগে আবদ্ধ করে। তাই বলতে হয় সৌরশক্তি সকল শক্তির মূল উৎস।

জীবন-বিজ্ঞানের সালোকসংশ্লেষ অধ্যায় থেকে ১০০টি প্রশ্ন উত্তর



১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী বার্নেস (Bernes) সালোকসংশ্লেষ
বা ফটোসিন্থেসিস শব্দটি প্রচলন করেন
, যা গ্রিক
শব্দ ফোটোস
(Photos) অর্থাৎ আলো এবং সিন্থেসিস (Synthesis) অর্থাৎ
সংশ্লেষ-এর সমন্বয়ে সৃষ্টি। আলোর উপস্থিতিতে কোনো কিছুর সংশ্লেষকে সালোকসংশ্লেষ
বলে।



অনাবাসী রুশ পিতামাতার সন্তান মেলভিন কেলভিন
১৯১১ খ্রিষ্টাব্দৈ আমেরিকার মিনেসোটায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি
ক্লোরেল্লা উদ্ভিদে
'কেলভিন চক্র' পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি প্রমাণ করেন সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন প্রথম জৈবযৌগটি হল
ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড 
(PGA) ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী
কেলভিন জীববিদ্যায় নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই মহান বিজ্ঞানীর
মৃত্যু হয়।



সালোকসংশ্লেষ সম্পর্কে বিভিন্ন বিজ্ঞানীদের
অবদান :-
(Contribution of Scientists in Photosynthesis) :-



১) জে. বি. ভ্যান হেলমন্ট (J. B. Van Helmont-1648): প্রমাণ করেন উদ্ভিদ মাটি থেকে সার এবং জল শোষণ করে খাদ্য প্রস্তুত করে।



২) স্টিফেন হেলস (Stephen Hales-1727): উদ্ভিদের পুষ্টিসাধনে পাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।



৩) যোসেফ প্রিস্টলে (Joseph Priestly-1772): সালোকসংশ্লেষের সময় উদ্ভিদ অক্সিজেন গ্যাস পরিত্যাগ করে।



৪) জ্যাঁ নেবিয়ে (Jean Senebier-1796): সালোকসংশ্লেষের সময় উদ্ভিদ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষণ করে।



৫) পেলেসিয়ার (Pelletier-1818): উদ্ভিদ মধ্যস্থ সবুজ বর্ণের রঞ্জক পদার্থকে প্রথম ক্লোরোফিল নামে অভিহিত
করেন



৬) রবার্ট ভন মেয়ার (Robert Von Mayer-1844): সালোকসংশ্লেষের সময় সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।



৭) ব্ল্যাকম্যান (Blackmann-1905): সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়াটি আলোক বিক্রিয়া ও অন্ধকার বিক্রিয়া-দুটি পর্যায়ে
সম্পন্ন হয়।



৮) স্যামুয়েল রুবেন (Samuel Ruben-1941): অক্সিজেন আইসোটোপ (O18) ব্যবহার করে
প্রমাণ করেন সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন অক্সিজেন জল থেকে উৎপন্ন হয়।



৯) বেনসন ও কেলভিন (Benson & Calvin-1956): ক্লোরেল্লা নামক উদ্ভিদে 'কেলভিন চক্র' পর্যবেক্ষণ করেন।