বুধ গ্রহ আসলে কি? কেমন তার আবহাওয়া?

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

কলকাতায় প্রথম ধর্মঘট কবে এবং কেন হয়েছিল?

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

বিভিন্ন প্রাণীর রেচন অঙ্গের নাম ও তার ছবি

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ভারতের ক্ষমতা হস্তান্তর আইন

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

সালোকসংশ্লেষ সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

হিন্দু তথা সনাতন ধর্মের সমস্ত ধর্ম গ্রন্থসমূহ

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

রবিবার, ২৯ মে, ২০২২

প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায় থেকে ৫০টি প্রশ্ন ও উত্তর

ভূগোল
বিষয়-এর প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়
     থেকে
৫০টি প্রশ্ন ও উত্তর



১) উত্তর অয়নান্ত
দিবস কবে
?



উ:- ২১শে
জুন



২) দক্ষিণ অয়নান্ত দিবস কবে?



উ:- ২২শে
ডিসেম্বর



৩) মহাবিষুব বা বসন্তবিষুব কবে?



উ:- ২১শে
মার্চ



৪) শরদ বা জলবিষুব কবে?



উ:- ২৩শে
সেপ্টেম্বর



৫) কর্কটসংক্রান্তি কবে পালন করা হয়?



উ:- ২১শে
জুন



৬) সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব কত?



উ:- ১৫
কোটি কিমি



৭) পৃথিবীর অক্ষের পরিধি কত?



উ:- ৪৬,২৫০ কিমি



৮) কলকাতা বরাবর পৃথিবীর আবর্তন গতি কত?



উ:- ১৫৪০
কিমি/ঘন্টা



৯) কলকাতায় ধ্রুবতারা-র উন্নতি কোন কত?



উ:- ২২°৩৩'



১০) উত্তর মেরুবৃত্তে ধ্রুবতারার উন্নতি কোন কত?



উ:- ৯০°



১১) ১° দ্রাঘিমার
পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় কত
?



উ:- ৪
মিনিট



১২) নিরক্ষরেখা-কে কি বলে?



উ:-
মহাবৃত্ত



১৩) দক্ষিণগোলর্ধে মেরু-নক্ষত্রের নাম কি?



উ:-
হ্যাডলির অ্যাকটান্ট



১৪) জলাধার নির্মাণের ফলে ভারতের কোন রাজ্যে
ভূমিকম্প হয়
?



উ:-
মহারাষ্ট্র-তে



১৫) ভূমিকম্পের শক্তিমাপক যন্ত্রের নাম কি?



উ:- রিখ্‌টার
স্কেল



১৬) ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপক যন্ত্রের নাম কি?



উ:-
মার্সেলি স্কেল



১৭) যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্পের তরঙ্গের
গতিবিধির রেখচিত্র পাওয়া যায় তাকে কি বলে
?



উ:-
সিসমোগ্রাফ বা ভূকম্পলিখ যন্ত্র



১৮) একটি প্রথমিক শিলার নাম বল।



উ:-
আগ্নেয় শিলা



১৯) ৪টি জৈব শিলার নাম বল?



উ:-
ডায়াটোম
, অ্যালগি (প্রাণী), বিটুমিনাস, লগনাইট জাতীয় কয়লা (উদ্ভিদ)



২০) কয়লা কি ধরনের শিলা?



উ:- পাললিক
শিলা



২১) ব্যাসল্ট এর রূপান্তরের নাম কি?



উ:-
অ্যাম্ফিবোলাইট



২২) চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে কিসে পরিণত হয়?



উ:-
মার্বেল-এ



২৩) কাদাপাথর রূপান্তরিত হয়ে কিসে পরিণত হয়?



উ:- স্লেট-এ



২৪) যান্ত্রিক উপায়ে স্থলভাগে সৃষ্ট একটি পাললিক
শিলার নাম কি
?



উ:-
টিলাইট



২৫) গ্রাবো রূপান্তরিত হয়ে কিসে পরিণত হয়?



উ:-
সার্পেন্টাইন-এ



২৬) ধ্রুবতারার সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়
এমন যন্ত্রের নাম কি
?



উ:-
সেক্সট্যান্ট



২৭) বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কিসে পরিণত হয়?



উ:-
কোয়ার্জাইট-এ



২৮) গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে কিসে পরিণত হয়?



উ:- নাইস-তে



২৯) অগাইট রূপান্তরিত হয়ে কিসে পরিণত হয়?



উ:-
হর্নরেন্ড-তে



৩০) বায়োটাইট রূপান্তরিত হয়ে কিসে পরিণত হয়?



উ:-
বায়োটাইট সিস্ট-তে



৩১) মহীখাত তত্ত্বের প্রবক্তা কে?



উ:-
জার্মান ভূবিজ্ঞানী কোবার



৩২) টেথিস কি?



উ:-
মহীখাত বা অগভীর সমুদ্র



৩৩) একটি নবীন ভঙ্গিল পর্বতের নাম লেখো।



উ:-
হিমালয়



৩৪) একটি প্রাচীন ভঙ্গিল পর্বতের নাম লেখো।



উ:-
আরাবল্লী (ভারতের মধ্যে)



৩৫) পাত-গাঠনিক তত্ত্বের জনক কে?



উ:- পিঁচো



৩৬) সাতপুরা কি ধরণের পর্বত?



উ:- স্তূপ
পর্বত



৩৭) সাতপুরা কোন দুটি গ্রস্ত উপত্যকা বা নদীর মধ্যে
অবস্থিত
?



উ:-
নর্মদা ও তাপ্তি



৩৮) সাতপুরা-এর দক্ষিণে কোন পাহাড় অবস্থিত?



উ:-
গাউলগড় পাহাড়



৩৯) সাতপুরা-এর উত্তরে কোন পাহাড় অবস্থিত?



উ:-
মহাদেব



৪০) সাতপুরার পূর্বাংশ কি নামে পরিচিত?



উ:-
মহাকাল পর্বত



৪১) সাতপুরা পর্বতের সর্বোচ্চ শিখরের নাম কি?



উ:- ধূপগড়
(১
,৩৫০ মিটার)



৪২) সাতপুরা পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?



উ:-
ভারতবর্ষ



৪৩) পৃথিবীর বৃহত্তম গ্রস্থ উপত্যকা কোনটি?



উ:- পূর্ব
আফ্রিকার প্রায় ৪
,৮০০ কিমি
দীর্ঘ
"The Great Rift Valley"



৪৫) ভারতের একটি গ্রস্ত উপত্যকার নাম লেখো।



উ:-
নর্মদা নদীর উপত্যকা



৪৬) পৃথিবীর কোন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশী আগ্নেয়গিরি
রয়েছে
?



উ:-
ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল



৪৭) ক্ষয়জাত পর্বতের অপর নাম কি?



উ:-
অবশিষ্ট পর্বত



৪৮) পৃথিবীর বৃহত্তম পর্বত-বেষ্টিত মালভূমির নাম কি?



উ:- পামীর
মালভূমি



৪৯) পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপের নাম কি?



উ:- ভারত
ও বাংলাদেশের গঙ্গা ব-দ্বীপ



৫০) একটি ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমির নাম কি?



উ:- ভারতের বুন্দেলখন্ড ও বাঘেলখন্ড মালভূমি

বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২

২০০ বছর আগে কলকাতায় ডাকা প্রথম ধর্মঘট

ধর্মঘট বা হরতাল এই শব্দদুটির সাথে আমরা পরিচিত। অন্তত ভারতীয়রা অত্যন্ত পরিচিত। আমরা কথায় কথায় ধর্মঘট ডাকতে খুবই ভালবাসি। আমাদের নেতারা কথায় কথায় ধর্মঘট ডেকে বসেন। কিন্তু আপনারা জানেন এই ধর্মঘট কলকাতায় কবে প্রথম হয়েছিল
আরো সঠিক ভাবে বলতে গেলে কবে তিলত্তমা কলকাতা প্রথম ধর্মঘট দেখেছিল

আজ থেকে প্রায়
২০০ বছর আগে। আর সেই ধর্মঘটে কোলকাতার মানুষদের জীবনধারা বদলে গিয়েছিল সেই ইংরেজ
আমলেই। আর যারা ডেকেছিল তাদের কথা জানলেও অবাক হবেন আপনারা। ১৮২৭ খ্রিষ্টাব্দের ২১
মে
  এই ধর্মঘট বা হরতাল ডেকেছিল পালকিবাহকেরা। ওই বছরে কলকাতার পুলিশ বিভাগ ফরমান জারি করল, এ বার থেকে সব
ঠিক পালকির রেজিস্ট্রি করাতে হবে। পাশাপাশি বেহারাদের জন্য ধার্য হল লাইসেন্স
নম্বর। পিতলের চাকতিতে খোদাই করা থাকবে নির্দিষ্ট নম্বর। পালকি চালানোর সময় বেহারাদের
তাবিজের মতো সেটি পরতে হবে বাহুতে। এই সিদ্ধান্ত মোটেও ভাল ভাবে নিলেন না পালকি
বেহারাদের দল। এমনিতেই তাঁদের মধ্যে শ্রেণিবৈষম্য ছিল যথেষ্ট। তার উপর
, যৎসামান্য
পারিশ্রমিক নিয়েও তাদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। ওড়িশা থেকে আসা বেহারাদের দল কিছুতেই
সেই পিতলের টিকিট পরতে রাজি হলেন না। বিক্ষুব্ধ পালকি বেহারাদের দল বৈঠকে বসলেন।
তৈরি হল তাঁদের সংগ্রাম পরিষদ। সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে ঠিক হল
, তাঁরা হরতাল
ডাকবেন। যত দিন না টিকিট-সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হচ্ছে
, তত দিন অবধি
তাঁরা পালকি স্পর্শ করবেন না বলে ঠিক করলেন। যদি কোনও বাহক পরিষদের সিদ্ধান্ত না
মানেন
, তাঁকে একঘরে করার কথাও বলা হল।

২১
মে দুপুরবেলা প্রায় ১ হাজার পালকি বেহারা মিছিল করে গেলেন লালবাজার অবধি। এদিকে পুলিশ
এই আইন প্রত্যাহারে রাজি হল না। পরের দিন কোনও ঠিকা পালকি বাহক কাজে এলেন না। অচল
হয়ে পড়ে রইল  সব পালকি।


লাগাতার
পালকি ধর্মঘটে কলকাতার নাগরিক জীবন প্রায় স্তব্ধ হতে বসল। শেষে অচলাবস্থা কাটাতে
উদ্যোগী হলেন ব্রাউনলো নামে এক ইউরোপীয়। শহরে পরিত্যক্ত জুড়িগাড়ির চাকার অভাব
ছিল না। সেখান থেকে চাকা নিয়ে সাহেব বসালেন নিজের পালকিতে। বেহারার বদলে সে পালকি
টেনে নিয়ে গেল ছোট্ট আরবি ঘোড়া।এই গাড়ির নাম দেওয়া হল
পালকি-গাড়ি বা ব্রাউনবেরি গাড়ি।শেষে ধর্মঘটী বেহারার দল কাজে ফিরলেন। কিন্তু
ততদিনে পালকির জায়গা নিয়ে নিয়েছে জুড়িগাড়ি।

শনিবার, ১৪ মে, ২০২২

পৃথিবীতে নারী ও তার সৌন্দর্য্যের কারণ

 নারী
ও তার সৌন্দর্য্য



নারীর
সৌন্দর্য্য জগতের এক অপরূপ বস্তু
; বিধাতার
দান। কিন্তু সে-সৌন্দর্য্য পুরুষকে মোহিত করবার জন্যে নয়
, সে-সৌন্দর্য্য, শক্তির মত, স্বাস্থ্যের মত, নারীরই পরম প্রয়োজনীয়
জিনিস। প্রত্যেক নারীই দেহগত সৌন্দর্য্যের অধিকারী নন
, কিন্তু প্রত্যেক নারীই নিজেকে
সুন্দর করে রাখতে পারেন এবং নিজেকে সুন্দর করে রাখা প্রত্যেক বিবাহিতা নারীর অবশ্য
কর্তব্য। বিলাসিতা না করেও
, প্রত্যেক
নারী যথাসম্ভব নিজেকে সজ্জিত ও অমলিন রাখতে পারেন। বিবাহের কয়েক বৎসর পরে
, অনেক নারীই আর নিজের সজ্জা ও
সৌন্দর্য্য সম্বন্ধে অবহিত থাকা প্রয়োজনীয় মনে করেন না। সেটা মস্ত বড় ভুল।
স্বামীর মনস্তত্বে তার প্রভাব ক্ষতিকরই হয়।

This information in English

শুক্রবার, ৬ মে, ২০২২

শুক্রগ্রহ সম্পর্কে সব তথ্যাদি॥ একনজরে শুক্রগ্রহ

 

শুক্রগ্রহ সম্পর্কে সব তথ্যাদি

শুক্র একটি মেঘে ঘেরা গ্রহ যার নামকরণ করা হয়েছে প্রেম ও সৌন্দর্যের রোমান দেবীর নামে, যাকে প্রায়শই পৃথিবীর যমজ বলা হয়। শুক্র হল সূর্যের দ্বিতীয় নিকটতম গ্রহচাঁদের পরে পৃথিবীর রাতের আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু হিসাবে, যাকে দেখা যায় সেটি হল শুক্র গ্রহ

যদিও শুক্রগ্রহ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ নয়, তবুও এটি সবচেয়ে উষ্ণ। এটিতে একটি ঘন বায়ুমণ্ডল রয়েছে যা গ্রিনহাউস গ্যাস- কার্বন ডাই অক্সাইড এবং সালফিউরিক অ্যাসিড দিয়ে তৈরি মেঘে পূর্ণ। গ্যাস প্রধানত তাপকে আটকে রাখে এবং শুক্রকে উষ্ণ রাখে। প্রকৃতপক্ষে, শুক্রগ্রহের গরম এত বেশি, যা সীসার মতো ধাতু গলানোর জন্য যথেষ্ট। এখানকার বায়ুমণ্ডল এত ঘন যে, শুক্রগ্রহের পৃষ্ঠ থেকে সূর্যকে দেখলে একটি আলোর দাগের মতন দেখায়

শুক্রকে দেখতে খুব সক্রিয় গ্রহের মতো। এটিতে পাহাড় এবং আগ্নেয়গিরি রয়েছে। বুধ, পৃথিবী এবং মঙ্গল গ্রহের পাশাপাশি শুক্র হল পাথুরে গ্রহগুলির মধ্যে একটি শুক্র গ্রহের আকার পৃথিবীর সমান। বলা যেতে পারে পৃথিবীর
আকার একটু বড়।

নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে শুক্র গ্রহ পৃথিবী আর সূর্যের মাঝখান দিয়ে চলে যায়। তখন শক্রকে সূর্যের ওপর দিয়ে যেন একটা কালো ফোঁটা সরে যাচ্ছে- এরকম দেখতে লাগে, এই ব্যাপারটিকে বলা হয় ট্রানজিট অফ ভেনাস। শুক্রগ্রহের শেষ ট্রানজিট ছিল ৫-ই এবং ৬-ই জুন ২০ সালে, এবং এটি ছিল ২ শতকের শেষ শুক্রগ্রহের ট্রানজিট; পূর্বের ট্রানজিটটি ছিল ৮-ই জুন ২০৪ তারিখে। এর আগের জোড়া ট্রানজিটটি ছিল ডিসেম্বর ১৮৭৪ এবং ডিসেম্বর ১৮২ সালে। শুক্রের পরবর্তী স্থানান্তর ঘটবে ১০-ই কিংবা ১১-ডিসেম্বর ২১১৭ এবং ৮-ই ডিসেম্বর ২১২৫ তারিখে।

শুক্রগ্রহ একটু অস্বাভাবিক বা অন্য ধরনের কারণ এটি পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহের বিপরীত দিকে ঘোরে অর্থাৎ সৌরমণ্ডলে, যেখানে সমস্ত গ্রহ ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘোরেসেখানে শুক্রগ্রহ ঘড়ির কাটার দিকে ঘোরে জ্যোতির্বিজ্ঞানে এইরকম বিপরীতমুখী গতিকে বলা হয় প্রতীপ গতি (retrograde motion)এর ঘূর্ণন খুবই ধীরগতির নিজের অক্ষের উপর শুক্র গ্রহের একবার ঘুরতে প্রায় ২৪৩ দিন সময় লাগে, যা পৃথিবীর সময় লাগে ২৪ ঘন্টা। শুক্রগ্রহের সূর্যের চারপাশে একবার ঘুরতে সময় লাগে ২২৫ দিন, যা পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন। তার মানে শুক্র গ্রহের একটি দিন শুক্রগ্রহের এক বছরের চেয়ে একটু বেশি।

যেহেতু দিন এবং বছরের দৈর্ঘ্য প্রায় একই, তাই শুক্রগ্রহের একটি দিন পৃথিবীর একটি দিনের মতো নয়। পৃথিবীতে, প্রতিদিন সূর্য একবার ওঠে এবং অস্ত যায়; কিন্তু শুক্রগ্রহে, সূর্য পৃথিবীর প্রতি ১১৭ দিনে একবার উদিত হয়। তার মানে শুক্র গ্রহে প্রতি বছর দু-বার সূর্য উদয় হয়, যদিও তখন শুক্র গ্রহে একই দিন বা একটি দিন উপস্থিত থাকে! এবং শুক্র পিছনের দিকে ঘোরার কারণে, সূর্য পশ্চিমে উদিত হয় এবং পূর্ব দিকে অস্ত যায়। বুধের মতো শুক্রেরও কোনো উপগ্রহ নেই।

শুক্রগ্রহের তথ্যসমূহ:-

§  শুক্র গ্রহের ব্যাস ১২,১০০ কিলোমিটার বা ৭,৫২০মাইল

§  শুক্র গ্রহের সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ১০৮ মিলিয়ন কিলোমিটার (৬৭ মিলিয়ন মাইল)

§  সূর্যের চারপাশে শুক্র গ্রহের একবার প্রদক্ষিণের সময় বা গতিবেগ ২২৫ দিন

§  শুক্র সূর্য থেকে ০.৭ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরে।

§  নিজের অক্ষের উপর শুক্র গ্রহের একবার প্রদক্ষিণের গতিবেগ বা নিজের পরিধিকে পরিক্রমণের সময়- ২৪৩ দিন

§  শুক্রগ্রহের তাপমাত্রা +৪৭৫° সেন্টিগ্রেট (৯০০° ডিগ্রি ফারেনহাইট)

একনজরে শুক্রগ্রহ:-

গঠন এবং পৃষ্ঠ

·      শুক্র আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণতম গ্রহ।

·      শুক্র একটি পার্থিব গ্রহ। এটি ছোট এবং পাথুরে।

·      শুক্রের একটি ঘন বায়ুমণ্ডল রয়েছে; যা তাপকে আটকে রাখে এবং শুক্রকে খুব গম করে তোলে।

·      শুক্রের আগ্নেয়গিরি সহ, একটি সক্রিয় পৃষ্ঠ আছে

·      শুক্রগ্রহ পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহের বিপরীত দিকে ঘোরে।

শুক্রগ্রহের সময়

·      শুক্রগ্রহে একদিন পৃথিবীর ৪৩ দিনের সমান হয়

·      শুক্রগ্রহে এক বছর পৃথিবীর ২২৫ দিনের সমান হয়।

শুক্রের প্রতিবেশী

·      শুক্রের কোনো চাঁদ নেই।

·      শুক্র সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ। তার মানে বুধ এবং পৃথিবী শুক্রের প্রতিবেশী গ্রহ।

ইতিহাস

শুক্র গ্রহটি প্রাচীনকাল থেকেই পরিচিত কারণ এটি টেলিস্কোপ ছাড়া সহজেই দেখা যায়।

শুক্রকে বিভিন্ন মহাকাশযান দ্বারা পরিদর্শন করা হয়েছে: মেরিনার ২, মেরিনার ৫, মেরিনার ১০, পাইওনিয়ার ভেনাস ১, পাইওনিয়ার ভেনাস ২ এবং ম্যাগেলান নামক একটি কক্ষপথ।